শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৪:৪৮ পিএম, ২০২৬-০৭-১৮
গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
দশম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশের গাফিলতির কারণে অপহৃতা জীবিত বা মৃত অবস্থায় আছে উদ্ধারে তার কোনো তৎপরতা নেই। অপরহণের ঘটনায় গত ৩০মে পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় (৪৪/২৩৮ নং) মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ আসামি না ধরে অজ্ঞাত কারণে নিরব রয়েছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের শিমুলতাড়ি গ্রামের রুবি বেগমের মেয়ে শেখ ফাহমিদা আকতার ফিরিস্তী (১৬) পুরাতন বাদিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। ফাহমিদা আকতার বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী গোবিন্দপুর বারিধারা গ্রামের মাহাবুর রহমানের ছেলে বখাটে নেশাগ্রস্ত মো. লিখন মিয়া (২৫) প্রেম ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়ে নানাভাবে ঈভটিজিং করতো। বিষয়টি ফাহমিদা তার বাবা ও মাকে অবগত করলে তারা লিখনের পিতা মাহাবুর রহমানকে জানায়। কিন্তু লিখন মিয়াকে তার বাবা মা কোনো শাসন না করায় সে আরও বেশী উত্যক্ত করতে থাকে। একপর্যায়ে লিখনের পিতা মাহাবুর রহমান ও তার স্ত্রী লাকি বেগমের উসকানিতে লিখনের ইভটিজিংয়ের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। পরবর্তীতে গত ২৮মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফাহমিদা আকতার একাই পার্শ্ববতী গ্রাম কিশামত গোপালপুর নানা বাড়িতে যাওয়ার সময় সুখানদিঘী থেকে বাদিয়াখালী পাকা রাস্তার ওপর পৌছামাত্রই পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামী মাহাবুর রহমান, লাকি বেগম, মিঠু মিয়া ও সাথী বেগমের সহযোগিতায় লিখন তাকে জোরপূর্বক অটোবাইকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর রুবি বেগম সব জায়গায় মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ২নং আসামি মাহাবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে তার ছেলে ফাহমিদা আকতারকে নিয়ে গেছে বলে জানায় এবং খুঁজে বের করে দেয়ার কথা বলে। কিন্তু দুদিনেও তাকে খুজে বের করে না দেয়ায় রুবি বেগম বাদি হয়ে গত ৩০মে পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় (৪৪/২৩৮ নং) অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করায় আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাদির পরিবারের লোকজনকে খুন জখমসহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উল্টো গত ২ জুন রুবি বেগমসহ পাঁচজনের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে।
এবিষয়ে ভিকটিমের মা মামলার বাদি রুবি বেগম জানান, গত দেড় মাসের বেশী সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার মেয়ে জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় কোথাও খুঁজে না পেয়ে এবং আসামিদের অব্যাহত হুমকিতে চরম হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠফোনে জানান, ভিকটিম কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় তার সঠিক লোকেশন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ভিকটিমকে যেন দ্রুত উদ্ধার করা যায় সেজন্য তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বিক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফ : সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার হালুয়া কান্দি মফিজ উদ্দিন তালুকদার স্ম...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : সিরাজগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে ...বিস্তারিত
মাহাদী বিন সুলতান, রাঙ্গামাটি: : সারাদেশের ন্যায় 'নৌযান শুমারি-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে অংশীজনদের নিয়...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited